Wednesday, March 30, 2016

ঢাকা বিমান বন্দরে সিআরআই মহাপরিচালকের সাথে বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল


সিআরআই মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান-কে শ্রোতাসংঘের পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করছেন, সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল। পাশে রয়েছেন সিআরআই দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক লুও হোংবিং (বাম থেকে ৩য়)। > ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু

চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান প্রথম বারেরমত বাংলাদেশ সফর করেছেন।
৩০ মার্চ ২০১৬ বুধবার ৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের সিআরআই প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি দু’দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে আসেন। তাঁর সাথে ছিলেন, সিআরআই অর্থ বিভাগের পরিচালক মাদাম গং ছিংছিং, সংবাদ বিভাগের পরিচালক হুয়াং ইয়োং গুও, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক লুও হোংবিং, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের উপ-পরিচালক মাদাম লিয়াও লি এবং অফিস বিভাগের পরিচালক চুং রেন যোং।
সিআরআই-এর নেতারা ঢাকা হযরত শাহজালাল (রা:) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছালে তাদেঁরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানায় সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ, সিআরআই সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব এবং সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের প্রতিনিধিবৃন্দ।
বিমান বন্দরের ভিআইপি গেইটে সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল প্রথমেই সিআরআই মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান-কে শ্রোতাসংঘের পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশে স্বাগত জানান। পরে তিনি অতিথিদের উপহার প্রদান করেন। দিদারুল ইকবাল কিছু সময় সিআরআই মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান এবং দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক লুও হোংবিং-এর সাথে সিআরআই অনুষ্ঠান ও শ্রোতাসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। তিনি সিআরআই-এর নেতাদের বাংলাদেশ সফরের জন্য অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানান।   
উল্লেখ্য, চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর কোন মহাপরিচালকের এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর।

সিআরআই মহাপরিচালকের প্রথম বাংলাদেশ সফর


প্রথম বারেরমত বাংলাদেশ সফরে এসেছেন চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান।
৩০ মার্চ ২০১৬ বুধবার ৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের সিআরআই প্রতিনিধিদল দু’দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে আসেন। ঢাকা হযরত শাহজালাল (রা:) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অতিথিদের বাংলাদেশে স্বাগত জানায় সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ, সিআরআই সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব এবং সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের প্রতিনিধিবৃন্দ।
এসময় বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন, সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের চীনা পরিচালক শিয়ে নান আকাশ, বাংলাদেশ পরিচালক গোলাম মোস্তফা, কনসালটেন্ট ও শিক্ষক মহিউদ্দিন তাহের, সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউল করিম বেলাল, সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল, সিআরআই সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু প্রমূখ। 
সিআরআই মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়ান-কে শ্রোতাসংঘের পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন, সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল। এছাড়া তিনি অতিথিদের শ্রোতাসংঘের পক্ষ থেকে উপহারও প্রদান করেন। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের প্রতিনিধিবৃন্দ।
৩১ মার্চ সাকালে সিআরআই প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ বেতার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বাংলাদেশ বেতারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। পরে চীনা অতিথিবৃন্দ সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুম পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর কোন মহাপরিচালকের এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর।

দিদারুল ইকবাল
চীন আন্তর্জাতিক বেতার
বাংলাদেশ।

Thursday, March 17, 2016

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মদিন

“শিশু গড়বে নতুন দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়, থাকবে শিশু সুরক্ষায়”। এ প্রতিপাদ্য ও শ্লোগানকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন।
দিবসটি পালনের জন্য সরকারিভাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। ১৭ মার্চ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী। একই সঙ্গে সরকারিভাবে দিবসটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল শিশু-কিশোরকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেছেন, শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত এবং তাদেঁর আত্নবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা প্রিয় বাংলাদেশকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে তাদেঁর ব্যক্তিত্ব গঠন, সৃজনশীলতার বিকাশ এবং আত্নবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং জাতীয় শিশু দিবসে দেশের সকল শিশুসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও শিশুদের নিয়ে নানা আয়োজনে পালন করা হয় দিবসটি।
দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, গ্রন্থমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে টেলিভিশন ও বেতারসহ গণমাধ্যমে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হয়।
১৭ মার্চ ২০১৬ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ফাতেহাপাঠসহ বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
পরে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে শিশু সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া একই স্থানে বইমেলার উদ্বোধন ও সেলাইমেশিন বিতরণ করেন তিনি।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘীরে বঙ্গবন্ধুর  সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে কি ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে তা জানতে আমরা সেখানে কথা বলেছি বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শামীম আহমেদ-এর সাথে।
এছাড়া চীন বেতারকে বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: জয়নাল আবেদীন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: শহীদুল ইসলাম চৌধুরী। দিবসটি উপলক্ষে আমরা আরো কথা বলেছি শিশু কিশোরদের সাথে। শিশুদের মধ্যে বলেছে, ফাহমিদা আক্তার সাঈমা, ফাহমিদা আক্তার, সানিয়া আফরিন জিতু, সুপ্রিয়া, সাদিয়া আফরিন তামান্না, নুসরাত জাহান নিঝুম, ঝুমা, হুমাইয়া জান্নাত রিমা, নাদিয়া আক্তার, ইসরাত জাহান আনিকা, নাদিয়া ইসলাম, মোনালিসা মন্নান প্রমূখ।
উল্লেখ্য, শিশু দিবস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় পালিত হয়। বিশ্বব্যাপী শিশুদের সম্মান করতে এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। শিশু দিবসটি প্রথমবার পালন করা হয়েছিল ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল তুরস্কে। সারা বিশ্বে “বিশ্ব শিশু দিবস” পালন করা হয় ২০ নভেম্বর এবং “আন্তর্জাতিক শিশু দিবস” পালন করা হয় ১ জুন। বাংলাদেশে প্রতি বছর ৩ চৈত্র বঙ্গাব্দ এবং ১৭ মার্চ খ্রিস্টা্ব্দে দিবসটি উদযাপন করে। শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর দরদ ছিল অপরিসীম। তাই তাঁর জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৬ সালে ১৭ মার্চ প্রথম বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়।
বলাবাহুল্য, ১৯২০ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান ও মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পিতা-মাতার চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে তিনি ছিলেন তৃতীয়। কিশোর বয়সেই শেখ মুজিবুর রহমান সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে তাকেঁ প্রথমবারের মতো গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করতে হয়। এরপর থেকে শুরু হয় তাঁর বিপ্লবী জীবন। বঙ্গবন্ধুর গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্নত্যাগের কারণে পরবর্তিতে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রদর্শক। বিশ্ব ইতিহাসে ঠাঁই করে নেন স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে। বিবিসি’র এক জরিপে তিনি নির্বাচিত হন ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি’।
আজকের শিশুরাই আগামীর সক্ষম নাগরিক। তাই শিশু-কিশোরদের চারিত্রিক দৃঢ়তার পাশা-পাশি তাদেঁর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত হোক এ বছরের শিশু দিবসের প্রত্যয়। জয় হোক সকল শিশুর।

দিদারুল ইকবাল
চীন আন্তর্জাতিক বেতার
বাংলাদেশ।







Wednesday, December 16, 2015

বিজয়ের মাসে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে CRILCB’র শীতবস্ত্র বিতরণ

শহীদুল কায়সার লিমন : বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালে বাঙালীজাতী স্বাধীনতার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বহু রক্তের বিনিময়ে এই মাসে বিজয় লাভ করে। লাভ করে একটি স্বাধীন লাল সবুজের পতাকা, স্বাধীন মানচিত্র, স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। এই বিজয়ের মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলি মাস জুড়ে নানাবিধ কর্মসূচি পালন করে থাকে। ২০১৫ সালের বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে ১৫ ডিসেম্বর সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ সিলেট গোয়াইনঘাট ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ” অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করে, শাওলি এ্যাগ্রো অর্গানিক ফার্ম লিমিটেড, সিলেট।      
বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের মহাসচিব এবং শাওলি এ্যাগ্রো অর্গানিক ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিল্লুর রহমান জিলু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, ৬ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবরুল হোসেন বাবুল এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মঈন উদ্দীন, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন, গুলজার আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, রশিদ আহমেদ এবং অত্র বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
শীতবস্ত্র বিতরণের পূর্বে শিক্ষার্থীদের সাথে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সিআরআই-এর বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল শিক্ষার্থীদের মাঝে চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই) এর পরিচয় তুলে ধরেন এবং এই বেতার থেকে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করেন, রেডিও-তে কখন, কিভাবে চীন বেতারের অনুষ্ঠান শুনা যাবে, ইন্টারনেটে কিভাবে সিআরআই সম্পর্কে জানা যাবে ইত্যাদি বিষয়ে ধারনা দেন।
শিক্ষার্থীদের মাঝে শিতবস্ত্র বিতরণের পর সিআরআই-এর বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।  

যাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে (ক্রমানুসারে):  
(১) জিল্লুর রহমান জিলু, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাওলি এ্যাগ্রো অর্গানিক ফার্ম লিমিটেড।
(২) বাবরুল হোসেন বাবুল, চেয়ারম্যান, ৬ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ।
(৩) আজির উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৪) রিয়াজ উদ্দীন, সহকারী শিক্ষক, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৫) কারিমা আক্তার, ছাত্রী, ৫ম শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৬) মো: দুলাল আহমদ, ছাত্র, ৫ম শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৭) তাহেরা আক্তার, ছাত্রী, ৫ম শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৮) সোহেল আহমেদ, ছাত্র, ৫ম শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(৯) মো: জুনায়েদ আহমেদ, ছাত্র, ৫ম শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
(১০) সারোয়ার আহমেদ চৌধুরী, ছাত্র, ৩য় শ্রেণী, ফতেপুর ২য় খন্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।


তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক
সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ।